fbpx
হোম Tech পরিচয় প্রতারণা কি এবং কি ভাবে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার মূল্যবান তথ্য?

পরিচয় প্রতারণা কি এবং কি ভাবে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার মূল্যবান তথ্য?

পরিচয় প্রতারণা

Identity Theft বা পরিচয় প্রতারণা! জাগতিক সমস্ত অবস্তুগত সম্পদের মধ্যে আপনার পরিচয়টির চাইতে মূল্যবান সম্পদ আর কিছুই নেই। তবে আইডেন্টিটি থেফট বিষয়টি আসলে কি? এটি হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কেউ একজন স্বেচ্ছাকৃত ভাবে আপনার পরিচয় ধারণ করে, মূলত আর্থিক জালিয়াতি, আপনার কর্মদক্ষতার সুনাম হরণ বা বিবিধ অন্যান্য সুবিধা লাভ করার উদ্দেশ্যে। আজকের ডিজিটাল পৃথিবীতে এ চুরির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে আশংকাজনক পরিমাণে।

কিভাবে হয় আইডেন্টিটি চুরি? সবচাইতে সহজলভ্য পদ্ধতি আছে আপনার ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডটি যদি অন্য কারো হাতে পড়ে যায়। আরেকটি হচ্ছে ডিজিটাল জালিয়াতি যা বিভিন্ন ভাবে হয়ে থাকে,

অনিরাপদ ইন্টারনেট কানেকশন, ফায়ারওয়াল বা এন্টিভাইরাস বিহীন ইন্টারনেট ব্রাউজিং আপনার ডিভাইসটিকে করে তোলে হ্যাকারদের কাছে সহজভেদ্য। আপনার ইমেইল এর ইনবক্স বা ট্র‍্যাশ বক্স ঘেটে নিয়ে অল্প পরিশ্রমেই ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট থেকে তথ্য হাতিয়ে নেয়া সম্ভব।

অনিরাপদ ওয়েবসাইট ব্রাউজিং,  ইন্টারনেট এ অনেক সময় না বুঝেই আমরা কিছু লিংক এ ক্লিক করে ফেলি, বা ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নাম, মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল আইডি দিয়ে ফেলি। কিন্তু নিজের কাজের বাইরে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার ক্ষেত্রে ন্যুনতম ধারণা রাখা প্রয়োজন যে আসলেই এখানে সাবস্ক্রাইব করার প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা।

ফিশিং, এরা একটি গোষ্ঠী আকারে কাজ করে এবং বৈধ কর্তৃপক্ষের মত আচরণ করে জালিয়াত সাধন করে। আইটি এডমিনিস্ট্রেটর বা ব্যাংক সমূহ এর ক্ষেত্রে এমন দেখা যায়।

ডক্সিং, এটি ঘটে তখন, যখন কোন সাইবার ক্রিমিনাল কাউকে প্রতারিত করে ব্যক্তিগত জিনিস হাতিয়ে নিয়ে তা ছড়িয়ে দেবার হুমকি দেয় এবং বিনিময়ে বিভিন্ন অসাধু উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তার শিকারকে বাধ্য করে।

আবার একাউন্ট হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে জালিয়াতি হতে পারে দু প্রকারে, আপনার বর্তমানে যে একাউন্ট টি আছে প্রতারক সেটি ব্যাবহার করতে পারে। আবার হতে পারে, আপনার একাউন্ট এর তথ্য নিয়ে সম্পূর্ণ একই তথ্য সাজিয়ে নিজের জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিতে পারে। বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে কিছুটা পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব ডিজিটাল জালিয়াতি থেকে।

একাউন্ট পাসওয়ার্ড যা কখনোই নিজের মা, বাবা, ফুপু, চাচী বা সন্তানদের ফোনের শেষ চার নাম্বার বা জন্মতারিখ অনুসারে দিবেন না।

নিজের ব্যবহার্য কম্পিউটার বা ডিভাইসটির জন্য উন্নতমানের এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করুন।

আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ইন্টারনেটে যেখানে সেখানে  সাবস্ক্রাইব করা থেকে বিরত থাকুন।

কেবল একটি পাসওয়ার্ড সকল ওয়েবসাইটে ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। নিজের ইমেইল ও ফেসবুক পাসওয়ার্ড কোথাও লিখে রাখবেন না, বরং মনে রাখার চেষ্টা করুন।

ওয়ালেট বা ভ্যানিটি ব্যাগে সবসময় ক্রেডিট/ ডেবিট কার্ড বহন করা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনানুসারে একটি বা দুটির অধিক বহন করা থেকে বিরত থাকুন।

নিজে সুরক্ষিত থাকুন ও আপনার পরিবারকেও সুরক্ষিত রাখুন।

Must Read

হেকিমি চিকিৎসা কি?

হেকিমি চিকিৎসা পদ্ধতি কি? হেকিমি চিকিৎসা (Hakeemi Treatment)  ইউনানি দর্শনভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। উদ্ভিজ্জ ভেষজ দ্বারা ঐতিহ্যিক ধারায় রোগ নিরাময়ের এই পদ্ধতির চিকিৎসকরা হেকিম নামে পরিচিত। হেকিম...

অবচেতন মনকে নিয়ন্ত্রণ করবেন? কিন্তু কীভাবে?

মনে করুন, আপনি খুব সচেতনভাবেই চাইছেন কোনো একটি কাজ করতে। আপনার বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যরাও আপনাকে প্রণোদনা যোগাচ্ছে কাজটি করার জন্য। কিন্তু বাস্তবে কাজটি করতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন আপনি।

ডিকয় ইফেক্ট : অকারণে বেশি খরচ করতে উৎসাহী করে

ডিকয় ইফেক্ট: যা আপনাকে অকারণে বেশি খরচ করতে উৎসাহী করে

‘দ্য গডফাদার’ সিনেমার পেছনের ইতিহাস

'দ্য গডফাদার' চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে মারিয়ো পুজোর পঞ্চম উপন্যাস দ্য গডফাদারের উপর ভিত্তি করে। উপন্যাসটির যখন মাত্র ১০০ পৃষ্ঠা লেখা হয়, তখন থেকেই প্যারামাউন্ট বইটির স্বত্তাধিকার কেনার পরিকল্পনা করতে থাকে এবং শেষে ৮০,০০০ ডলারে সেটি কিনে নেয়। 'The Godfather Legacy' ডকুমেন্টরি থেকে জানা যায়, তখনকার প্যারামাউন্ট পিকচারসের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ট্যানলি জেফি টেলিফোন করেন আলবার্ট রুডিকে (গডফাদারের নির্মাতা), এবং জিজ্ঞেস করেন তিনি কি গডফাদার মুভির নির্মাতা হতে চান কি না। আলবার্ট তখনো বইটি পড়েননি। তাই তিনি সাথে সাথেই বইটি কিনে আনেন এবং অন্য সবার মতোই মুগ্ধ হয়ে যান। হলিউডের সেরা কিছু চলচ্চিত্রের নাম বললে সেখানে ‘দ্য গডফাদার’ যে থাকবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

শুচিবায়ুঃ অভ্যাস নাকি ব্যাধি?

বাংলায় আমরা যেটাকে ‘শুচিবায়ু’ বলে থাকি, সেটা বিশেষ একটা মনস্তাত্ত্বিক রোগের নাম। যাকে ইংরেজীতে ‘অবসেসিভ-কমপালসিভ ডিজঅর্ডার’ (Obsessive-Compulsive Disorder বা সংক্ষেপে OCD) বলা হয়। তবে এই রোগের লক্ষণগুলো চরম পর্যায়ে পৌছালে অথবা দৈনন্দিন জীবনে এই উপসর্গগুলোর নেতিবাচক প্রভাব পড়া শুরু করলে তবেই একে ওসিডি বলা যাবে।
//graizoah.com/afu.php?zoneid=2982870