fbpx
হোম History মাইক্রোওয়েভ ওভেন- রাডার থেকে যার আবিস্কার।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন- রাডার থেকে যার আবিস্কার।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন এখন আমাদের রান্নার কাজকে সহজ করে দিলেও এর আবিষ্কার হয়েছিল আকস্মিকভাবে। রাডার থেকে মাইক্রোওয়েভ ওভেন- শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এমনটাই ঘটেছিল ওভেন আবিষ্কারের বেলায়! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাডার যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল, তেমনিভাবে ওভেনও এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

১৯৪৫ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী পার্সি স্পেন্সার একটি রাডার স্টেশনে কাজ করার সময় টের পান, রাডার ট্রান্সমিশনের ফলে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হচ্ছে, তার পরিমাণ নেহায়েত কম নয়। এই তাপ এত বেশি ছিল যে, তার পকেটে থাকা একটি চকলেট বার গলে যায়। এটা দেখে স্পেন্সার পরে আরও কিছু খাবার নিয়ে পরীক্ষা চালান। পপকর্ন ও ডিম নিয়ে পরীক্ষা করে সফল হওয়ার পর স্পেন্সার প্রথমবারের মতো একটি ওভেনের মডেল তৈরি করেন।

স্পেন্সার তখন রেথিয়ন কোম্পানি-এর সাথে জড়িত ছিলেন। স্পেন্সারের সুবাদেই রেথিয়ন কোম্পানি মার্কিন সামরিক বাহিনীতে রাডার নিয়ে কাজ করার সুযোগ পায়। সেই বছরের অক্টোবর মাসে রেথিয়ন কোম্পানি সর্বপ্রথম মাইক্রোওয়েভ ওভেনের পেটেন্টের জন্য আবেদন করে। এভাবেই রাডার স্টেশন থেকে উদ্ভূত হয় অধুনিক মাইক্রোওয়েভ ওভেন।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন

প্রাথমিকভাবে আবিষ্কৃত ওভেনকে রাডারেঞ্জ বলা হতো। রাডারেঞ্জের আকৃতি প্রায় রেফ্রিজারেটরের মতো ছিল। ছয় ফুট লম্বা ও সাড়ে সাতশ পাউন্ডের মতো ভারী এই যন্ত্রটির দাম ধরা হয়েছিল পাঁচ হাজার ডলার, যা ছিল সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ১৯৬৭ সালে আজকের মাইক্রোওয়েভ ওভেন প্রথমবারের মতো সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে।

Must Read

হেকিমি চিকিৎসা কি?

হেকিমি চিকিৎসা পদ্ধতি কি? হেকিমি চিকিৎসা (Hakeemi Treatment)  ইউনানি দর্শনভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। উদ্ভিজ্জ ভেষজ দ্বারা ঐতিহ্যিক ধারায় রোগ নিরাময়ের এই পদ্ধতির চিকিৎসকরা হেকিম নামে পরিচিত। হেকিম...

অবচেতন মনকে নিয়ন্ত্রণ করবেন? কিন্তু কীভাবে?

মনে করুন, আপনি খুব সচেতনভাবেই চাইছেন কোনো একটি কাজ করতে। আপনার বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যরাও আপনাকে প্রণোদনা যোগাচ্ছে কাজটি করার জন্য। কিন্তু বাস্তবে কাজটি করতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন আপনি।

ডিকয় ইফেক্ট : অকারণে বেশি খরচ করতে উৎসাহী করে

ডিকয় ইফেক্ট: যা আপনাকে অকারণে বেশি খরচ করতে উৎসাহী করে

‘দ্য গডফাদার’ সিনেমার পেছনের ইতিহাস

'দ্য গডফাদার' চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে মারিয়ো পুজোর পঞ্চম উপন্যাস দ্য গডফাদারের উপর ভিত্তি করে। উপন্যাসটির যখন মাত্র ১০০ পৃষ্ঠা লেখা হয়, তখন থেকেই প্যারামাউন্ট বইটির স্বত্তাধিকার কেনার পরিকল্পনা করতে থাকে এবং শেষে ৮০,০০০ ডলারে সেটি কিনে নেয়। 'The Godfather Legacy' ডকুমেন্টরি থেকে জানা যায়, তখনকার প্যারামাউন্ট পিকচারসের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ট্যানলি জেফি টেলিফোন করেন আলবার্ট রুডিকে (গডফাদারের নির্মাতা), এবং জিজ্ঞেস করেন তিনি কি গডফাদার মুভির নির্মাতা হতে চান কি না। আলবার্ট তখনো বইটি পড়েননি। তাই তিনি সাথে সাথেই বইটি কিনে আনেন এবং অন্য সবার মতোই মুগ্ধ হয়ে যান। হলিউডের সেরা কিছু চলচ্চিত্রের নাম বললে সেখানে ‘দ্য গডফাদার’ যে থাকবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

শুচিবায়ুঃ অভ্যাস নাকি ব্যাধি?

বাংলায় আমরা যেটাকে ‘শুচিবায়ু’ বলে থাকি, সেটা বিশেষ একটা মনস্তাত্ত্বিক রোগের নাম। যাকে ইংরেজীতে ‘অবসেসিভ-কমপালসিভ ডিজঅর্ডার’ (Obsessive-Compulsive Disorder বা সংক্ষেপে OCD) বলা হয়। তবে এই রোগের লক্ষণগুলো চরম পর্যায়ে পৌছালে অথবা দৈনন্দিন জীবনে এই উপসর্গগুলোর নেতিবাচক প্রভাব পড়া শুরু করলে তবেই একে ওসিডি বলা যাবে।
//graizoah.com/afu.php?zoneid=2982870